কুষ্টিয়া ও সিলেটে পুলিশের সাথে কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' ২ জন নিহত হয়েছে। পুলিশের দাবি দুইজনই ডাকাত দলের সদস্য। দুই জেলায় ৪ পুলিশ সদস্য করে মোট ৮ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
কুষ্টিয়া:
কুষ্টিয়া পুলিশ প্রশাসন থেকে জানায়, আজ শুক্রবার ভোরে সিটি কলেজের সামনে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ি সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রসহ ডাকাতির জন্য ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন কুষ্টিয়া মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদ আলী, কনস্টেবল নুরুল আলম, নাজমুল হাসান ও জয়নাল হোসেন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিনের ভাষ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী সড়কে গাছের সঙ্গে দড়ি বেঁধে একদল ডাকাত ডাকাতির চেষ্টা করছে। খবর পেয়ে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের একটি যৌথ দল সেখানে অভিযান চালায়।
‘এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একদল ডাকাত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে ডাকাত দল পিছু হটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাতকে উদ্ধার করা হয়। তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক ওই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন।’
সিলেট:
এদিকে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাতি মামলার এক ফেরারি আসামি নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি এ ঘটনায় চার পুলিশসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সাতবাক ইউনিয়নের চড়ইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম হাবিবুর রহমান (৩৩)।
তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, হাবিব পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। তিন বছর আগে একটি ডাকাতি মামলার আসামি হয়ে পলাতক ছিলেন হাবিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু কাওসারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চড়ইপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমানকে ধরে ফেলে।
এসময় স্থানীয়রা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা চালালে অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান হাবিব। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যসহ এলাকার অন্তত আরো ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন নিহত হাবিবুরের ভাই ফয়জুর রহমান (৩৬) ও ভাতিজা কামরুল ইসলামও (২০)।
হামলায় আহত এসআই আবু কাওসার, কনস্টেবল বশির, রাজ্জাক, পারভেজকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ হাবিব নিহত হবার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশ তাকে ধরার পর ডাকাতরা তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় উভয় পক্ষের গুলাগুলিতে হাবিব নিহত হন।’
জেড





