ভোলা সদরের ধনিয়া ইউনিয়নে পুরাতন বাধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে ৩টি গ্রাম। এতে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে ৩শতাধিক পরিবার।
সোমবার ওই ইউনিয়নের হেতনারহাট পয়েন্ট দিয়ে জোয়ারের চাপে এ বাধ ভেঙ্গে যায়।
রাস্তাঘাট, পুকুর, ঘের, স্কুল, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে ফসলের জমি। এলাকা তালিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
স্থানীরা জানান, গত কয়েক দিন থেকেই বাধের বাইরের পুরাতর রিং বাধটি ঝুকির মুখে ছিলো। সোমবার জোয়ারের চাপে বাধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে পুরো এলাকা তলিয়ে যায়। এতে পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন কালীকীর্তি, কালাসুরা ও হেতনারহাটসহ ৩টি গ্রামের মানুষ। প্লাবিত হয়েছে ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি ।
কালীকীর্তি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষন মনির সাজাওয়াল জানান, পানির চাপে স্কুলটি প্লাবিত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু মসজিদ ও মক্তব এবং অন্তত ১০টি মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম বলেন, বাধের বাইরের একটি বাধ ভেঙ্গে গেছে। সেখানে বেশ কিছু বসতি রয়েছে। স্থানীয়ভাবে বাধটি মেরামেতর কাজ চলছে।
ধনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এমদাম হোসেন কবির জানান, ভোর রাতে বাধ ভেঙ্গে যায়। এতে এলাকায় পানি ঢুবে এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাধটি মেরামতের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৩ শতাধিক পরিবার।
এসএইচ





