রাজনৈতিক অস্থিরতায় জানুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এ মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ হয়েছে, যা ডিসেম্বর মাসে ছিল ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

এ সময়ে সার্বিক মূল্যেস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১১ শতাংশ।

খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। এটি আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী এ সব তথ্য প্রকাশ করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতায় পণ্য সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানী তেলের দাম কমে যাওয়ায় খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমেছে।

শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। শহর এলাকায় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

তবে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। এ মাসে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১২ শতাংশ।

এএইচ