রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলা মামলার সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
আজ (২৭ নভেম্বর) বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এই রায় দেন।
এই রায়ে সন্তোষ জানিয়েছেন ওই হামলায় নিহত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ রবিউল করিমের মা করিমন নেছা।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কাটিগ্রামের নিজ বাড়িতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আজকের দিনটির জন্য সাড়ে তিন বছর অপেক্ষা করেছি। অভিযুক্তদের ফাঁসির রায় হওয়ায় আমি সন্তষ্ট। দ্রুত এই রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী, পুলিশ প্রশাসন, বিচার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
করিমন নেছা আরও বলেন, আর যেন কোনো মা সন্তান না হারান, কোনো স্ত্রী যেন স্বামী আর সন্তান যেন বাবা না হারায়। কেবল যার হারিয়েছে সেই এর ব্যথা বুঝতে পারে।
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি ২২ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন। এসি মোহাম্মদ রবিউল করিমের মা ও ছোট ভাই ছাড়াও স্ত্রী এবং দুই সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে মেয়ে রাইনা বাবার মৃত্যুর এক মাস পর জন্মগ্রহণ করে।
পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দু’জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া হামলায় অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ডে’ পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানে এক জাপানি ও দুই শ্রীলংকানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
এমবি





