দেশবরেণ্য কবি, কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহারকে আদাবর থানা থেকে তেজগাঁও ডিসির অফিসে নেয়ার পর সেখান থেকে নেয়া হয়েছে মিন্টু রোডের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে। এর আগে তাকে ঢাকার আদাবর থানায় আনা হয়েছিল।
তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে ফোন দিয়ে ফরহাদ মজহারের প্রেসারের ওষুধ নিয়ে আদাবর থানায় যেতে বলা হয়। তারা সেখানে পৌঁছার কিছুক্ষণের মধ্যেই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফরহাদ মজহারকে নিয়ে থানায় পৌঁছায় পুলিশ। এ সময় ফরহাদ মজহার তাকে জানিয়েছেন যে, তিনি খুবই বিধ্বস্ত। ঘাড়ে ব্যাথা হচ্ছে।
এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় ফরহাদ মজহারকে তেজগাঁওয়ে ডিসি কার্যালয়ে নেয়া হবে। সেখানে নেওয়ার পর কিছু সময় রাখার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে।
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডিবি কার্যালয়ে ফরহাদ মজহারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এর আগে সোমবার অপহরণের ১৮ ঘণ্টা পর যশোরের নোয়াপাড়া থেকে র্যাব উদ্ধার করে। সোমবার ভোর ৫টার পর তাকে বাসার সামনে থেকে অপহরণ করা হয়। এর পর তিনি স্ত্রীর সাথে টেলিফোনে কয়েকবার কথা বলে জানান, অপহরণকারীরা মুক্তিপণ হিসেবে তার কাছে ৩৫ লাখ টাকা দাবি করছে। তাকে হত্যা করা হবে বলেও তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।
দিনভর পরিবারসহ দেশবাসী উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় থাকার পর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ র্যাব-৬ এর একটি টিম যশোরের নওয়াপাড়ার ভাঙ্গাগেট এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে খুলনার ফুলতলা থানায় নিয়ে যায়।
রাত দেড়টার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তারা একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যান।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার ভোর ৫টার কিছুক্ষণ পর একটি ফোন পেয়ে তিনি ঢাকার শ্যামলীর ফ্যাট থেকে বের হয়ে গেটের সামনে যান। এরপর তিনি স্ত্রীকে ফোনে জানান যে, তাকে অপহরণ করা হয়েছে এবং অপহরণকারীরা তার কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা দাবি করছে এবং তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।
ভারতে মুসলিম নিধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার ১৬ ঘণ্টা পরে অপহৃত হন ফরহাদ মজহার।
এমই





