বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং এমপিদের স্বাক্ষর সুপারিশ জাল করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের আট ও পবা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নার্স।

এরইমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওই নয়জন নার্সকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ রামেক হাসপাতালে এসে পৌঁছেছে বলে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ ফ ম রফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

ওই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বরখাস্তও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বরখাস্তকৃতরা হলেন- সদরুল ইসলাম, ধরিত্রী রাণী ঘোষ, জোসনা আরা খাতুন, জেবুন্নেসা খাতুন, মেরি মার্গারেট প্রভাতী সেরাও, মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, এসএম আসাদুল ইসলাম ও খাইরুল ইসলাম। এদের মধ্যে পবা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স হিসেবে কর্মরত আছেন তৌহিদুল ইসলাম। অন্যরা রামেক হাসপাতালে কর্মরত।

রামেক হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, নার্সিং কাউন্সিল ও সেবা পরিদফতরের এক শ্রেণির কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেট বাণিজ্য করছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং এমপিদের সুপারিশ জাল করে এ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতি করে আসছে। ভালো জায়গায় পোস্টিং, নিজ বেতনে পদোন্নতি এবং বিদেশ প্রশিক্ষণের জন্য এ সব জাল সুপারিশ করা হতো। এ সবের মধ্যে বিদেশে প্রশিক্ষণের সুপারিশ সবচেয়ে বেশি।

অপরাধীদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হবে কী না এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ ফ ম রফিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কোনো নিদের্শনা আসেনি। পরবর্তীতে বিষয়টি আইন প্রক্রিয়ায় গেলে তাদের আইন অনুযায়ী বিচার হবে।

এছাড়া সারা দেশে আরো আটজন নার্সকে এ অপরাধে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এম এ