লিভারে পানি জমার কারণেই ভারতের আসাম থেকে আসা বুনো হাতি 'বঙ্গবাহাদুরে'র মৃত্যু হয়। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিকে বুধবার এ তথ্য জানায় বন বিভাগ।
উপপ্রধান বন সংরক্ষক শফিউল আলম চৌধুরীর বরাত দিয়ে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, হাতিটি বাঁচানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছে। চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না। ভারতীয় প্রতিনিধি দলও এসেছিল। তারাও ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছে। হাতিটি বাঁচাতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। লিভারে পানি জমে যাওয়ার কারণে হাতিটির মৃত্যু হয়।
হাতিটি কেন বাঁচানো গেল না-সংসদীয় কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।
তবে হাতিটির ময়নাতদন্ত দলের সদস্য ও প্রধান কক্সবাজারের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছিলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বঙ্গবাহাদুর। ময়নাতদন্তের পর জামালপুরের সরিষাবাড়ীর কয়রা গ্রামেই হাতিটির মৃতদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়।
গত ১৬ আগস্ট জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কয়ড়া এলাকায় হাতিটির মৃত্যু হয়। বন্যার পানিতে ভেসে আসা হাতিটিকে নিয়ে দেড় মাস দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এর কারণে হাতিটিকে 'বঙ্গবাহাদুর' নাম দেওয়া হয়।
এক মাসের বেশি সময় ধরে চার জেলা ভ্রমণ করে হাতিটি। হাতিটি ধরতে মৃত্যুর আগে কয়েকবার ট্রাঙ্ককুলাইজার (অবচেতন ওষুধ) ব্যবহার করা হয় তার শরীরে। কিন্তু হাতিটিকে জীবিত উদ্ধার করতে না পারায় সে সময় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
এমবিএইচ





