বান্দরবানে শুরু হয়েছে আদিবাসীদের ৫ দিনব্যাপী নববর্ষ উৎসব বৈসাবি। পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণে ত্রিপুরা ভাষায় বৈসু, মারমা ভাষায় সাংগ্রাইং ও চাকমা-তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বিঝু’কে একসাথে বলা হয় বৈসাবি উৎসব।

পার্বত্য বান্দরবানের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রাণের উৎসব সাংগ্রাই-কে ঘিরে আনন্দের জোয়ারে ভাসছে বান্দরবানবাসী । পাহাড়ি পল্লী গুলোতে এখন নানা রঙ্গের সাজ। হাট-বাজারগুলোতে পড়েছে কেনা-কাটার ধুম। এদিকে সাংগ্রাই উৎসবকে সামনে রেখে সমগ্র বান্দরবানের হোটেল-মোটেলে আগাম বুকিং হয়ে গেছে। উৎসবে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ পৃথক বার্তায় সুখ, সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।

সকালে তরুণ-তরুণীরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটানোর উৎসবে মেতে উঠেন এসময়। এই উৎসব শুধু পাহাড়িরা নয় বাঙালিরাও নানা ভাবে পালন করে থাকেন। সাংগ্রাই উৎসবকে দেখার জন্য বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বহু দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটে।

বৈসাবি উৎসবকে সামনে রেখে হাট-বাজারে কেনা-কাটা বেড়েছে। বিপনী বিতানগুলোতে এখন পাহাড়িদের পাশাপাশি বাঙ্গালি তরুণীদেরও উপচে পড়া ভিড়। হবে।

এদিকে বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানিয়েছেন, বাংলা বর্ষবরণ ও সাংগ্রাই উৎযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে শান্তি পূর্ণ পরিবেশে পহেলা বৈশাখের সকল উৎসব পালনে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রশাসন।

রিমন পালিত