রাজধানীর বাড্ডায় পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম সাফায়েত তামরিন (৩০)। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে আফতাবনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুল আলম দাবি করেন, ভোর ৪টার দিকে আফতাবনগরে ডিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সাফায়েত গুলিবিদ্ধ হন।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোর ৫টায় তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, এর আগে রাতে বাড্ডার আলাতুন্নেসা স্কুল রোডে ডিশ ব্যবসায়ী বাবুকে গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় যে তিনজন ধরা পড়ে তার মধ্যে সাফায়েতও ছিলেন।

এদিকে চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' এক ডাকাত নিহত হয়েছেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি শুটার গান, তিনটি বোমা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

বুধবার রাত আড়াইটার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার গোবিন্দহুদা ঈদগা মাঠ এলাকায় ওই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
নিহত ডাকাত মিরাজুল ইসলাম মিরা (৫০) উপজেলার হাতিভাঙ্গা গ্রামের মৃত হাফেজের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে হাতিভাঙ্গা গ্রাম থেকে মিরাজুল ইসলাম মিরাকে দুই রাউন্ড কার্তুজসহ আটক করে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ। এসময় মিরাজুলের সহযোগীরা গোবিন্দহুদা ঈদগা মাঠের পাশের একটি আম বাগান থেকে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে একটি বোমা নিক্ষেপ ও ২৫-৩০ রাউন্ড এলোপাথাড়ি গুলি করে তারা। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

তিনি আরও জানান, গোলাগুলির পর ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মিরাজুল ইসলামকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আওলিয়ার রহমান তাকে মৃত বলে জানান।

সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) আহসান হাবিব জানান, নিহত মিরাজুল এলাকার চিহ্নিত ডাকাত।

তার নামে সংশ্লিষ্ট থানায় হত্যা, ডাকাতি, অপহরণসহ ৮টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি শুটার গান, তিনটি তাজা বোমা ও তিনটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

জেড