সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়িটি উদ্ধারের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের দখলে বুঝে নিল জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বাড়িটি পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক নেতারা, সাংবাদিক, সুচিত্রা স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা।সেখানে সিলগালা করা বাড়িটির বিভিন্ন দরজা খুলে ভেতরে ঘুরে দেখেন জেলা প্রশাসকসহ অন্যরা।
এরপর ইমাম গাযযালী ইনস্টিটিউটের লিজ বাতিল করে সরকারের দখলে নেওয়ার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশ মোতাবেক বৃহস্পতিবার বাড়িটির স্বত্ব দখল বুঝে নেয় জেলা প্রশাসন।
এসময় ইমাম গাযযালী ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বাড়িটির দখল স্বত্ব (দলিল) জেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দখল স্বত্ব বুঝে নেন জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন। এর আগে উচ্চ আদালতের নির্দেশে বুধবার দুপুরে দখলদার প্রতিষ্ঠান ইমাম গাযযালী ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ বাড়িটির দখল ছেড়ে দেয়ার পর সিলগালা করে দেয় জেলা প্রশাসন। মুছে ফেলা হয় দখলদার প্রতিষ্ঠানের নাম।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহাম্মেদ, বিশিষ্ট কলামিষ্ট রণেশ মৈত্র, প্রেসক্লাবের সম্পাদক আহমেদ উল হক রানা, সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. রামদুলাল ভৌমিক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চন্দন ঠাকুর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজমল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মুন্সি মো. মনিরুজ্জামান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) জসিম উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম আর রিনি প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের রায়ের নির্দেশে আমরা অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি সরকারের দখলে নিলাম। এই বাড়িটি এখন থেকে জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পরবর্তী সময়ে পাবনার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সভা করে সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে বাড়িটি সুচিত্রার স্মৃতি ধরে রাখতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’
ঢাকা, ১৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





