কুমিল্লার দেবিদ্বার বড়শালঘর ইউএমএ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র আ’লীগের দু-গ্রুপের মধ্যে ( বর্তমান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জারু ও ইউনুছ মাস্টার ) ব্যাপক সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া,বাড়িঘর ও দোকান-পাট ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে এতে অনন্ত দু-গ্রুপের ২৫ জন আহত হয়েছে। পরে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিট্রেট (ভ‚মি) মো: আনোয়ারুল আজিম ম্যানিজিং কমিটির নির্বাচন স্থগিত করে দেন।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানায়, বড়শালঘর ইউএমএ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে ইউনুছ মাস্টার গ্রুপের লোকজন সৈয়দপুর বাজারে জহিরুল ইসলাম জারু (চেয়ারম্যান)’র সমর্থকের ৩টি ফার্নিচারের দোকান ব্যাপক ভাংচুর করে। পরে সৈয়দপুর বাজারে জারু চেয়ারম্যান সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরী হলে দেবিদ্বার থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

Debidwar News Pic Final -07-01-17পরে বর্তমান বড়শালঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জারু গ্রুপের লোকজন সৈয়দপুর বাজার থেকে লাঠিসোটা, রামদা, হকিস্টিক, রড, পাইপ নিয়ে ধাওয়া দেয় ইউনুছ মাস্টারের লোকজনের উপর পরে ধাওয়ার মুখে ইউনুছ মাস্টারের লোকজন পালিয়ে যায়।

পুনরায় ইউনুছ মাস্টারের সমর্থকরা লাঠিসোঠা, রামদা, বাঁশের কঞ্চি নিয়ে হামলায় চালায় জারু চেয়ারম্যান দুই সমর্থক হাজী মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মুনসুরুল ইসলামের বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মিজানুর রহমান ও দেবিদ্বার- বি-পাড়া সার্কেল পুলিশ সুপার শেখ মো: সেলিম’র নেতৃত্বে পুলিশ ফাঁকা গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

পরে ক্ষতিগ্রস্থদের বাড়িঘর হামলায় ক্ষতিগ্রস্থরা অভিযোগ করে বলেন, বাড়িঘর দোকানপাট ভাঙচুর ছাড়াও বিদেশ যাওয়ার জন্য রক্ষিত নগদ ৫লক্ষ টাকা, নব বধুদের স্বর্ণলংকার, এলসিডি টিভিসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এব্যাপরে দেবিদ্বার-বি-পাড়া সার্কেল শেখ মোহাম্মদ সেলিম জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে, তবে ক্ষতিগ্রস্থ এবং আহতরা থানায় অভিযোগ করলে মামলার পক্রিয়া শুরু হবে।

শাহীন/জারিফ