ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড খুলে দিয়ে কাজের পরিবেশের সুযোগ দেয়ার পাশাপাশি ডেসটিনির পরিচালকসহ চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টরের মুক্তির দাবি করেছেন ওই প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীরা।
বুধবার দুপুরে ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরামের সমন্বয়কারী ইঞ্জিনিয়ার নাজিম উদ্দিন জুয়েল বলেন, গ্রুপের ৯০ শতাংশ মালিকানাই প্রায় সাড়ে ৮ লাখ সদস্যের। কিন্তু মামলার কারণে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে ৪৫ লাখ ক্রেতা-পরিবেশক ও বিনিযোগকারী মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।
তিনি বলেন, গত ২১ নভেম্বর রাতের আধারে সন্ত্রাসীরা ডেসটিনির প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে। আমাদের অর্থ ও পরিশ্রমে গড়া ডেসটিনির সব অর্থ সম্পদ ধ্বংস ও লুট হয়ে যাচ্ছে।
নাজিম উদ্দিন জুয়েল আরো বলেন, ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন লিমিটেডের ৮১ লাখ গাছের খোঁজ দুদক পেয়েছে। বর্তমানে অর্থাভাবে বাগান পাহারা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না। এ সুযোগে বাগানের গাছ লুট হচ্ছে। ডেসটিনির একাধিক কার্যালয় এখন দখল হয়ে যাচ্ছে। ডেসটিনির চেয়ারম্যান ও এমডিসহ কারও বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের কোনো অভিযোগ নেই বলেও জানান নাজিম উদ্দিন জুয়েল।
এসময় অন্য বক্তরা বলেন, ডেসটিনির সব অর্থ সম্পদ ধ্বংস ও লুট হয়ে যাচ্ছে। উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কষ্টের টাকা আমরা বিনিয়োগ করেছি। প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে আমাদের কষ্টের টাকা লুটেরা খাচ্ছে।
মানববন্ধনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদন জানিয়ে বক্তারা বলেন, আমাদের সম্পদ রক্ষা ও ডেসটিনির কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করে পরিবার নিয়ে ভালোভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ দিন। ৪৫ লাখ পরিবারের সঙ্গে ৩ কোটি মানুষ জড়িত রয়েছে। আমরা এখন সবাই মানবেতর জীবনযাপন করছি।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সমন্বয়কারী মোশাররফ হোসেন, নাসরিন আজাদ, খাইরুল ইসলাম, বোরহান উদ্দিন, সেলিম হোসেন প্রমুখ।
জেআই





