নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেছেন, পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে অতি আবেগে সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন শেষে ইসি ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ইসি সচিব।
ভোটকেন্দ্রের বাইরের সংঘর্ষ ঘটলে সেটি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের বাইরে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের তথ্য থেকে ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোট ৮৪ জন মানুষ মারা গেছেন। দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে ছয়জন মানুষ মারা গেছেন, সেটি নিঃসন্দেহে কমিশনের জন্য দুঃখজনক। আমরা মনে করি এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ম্যাজিস্ট্রেট, রিটার্নিং অফিসার এবং নির্বাচনী কর্মকর্তা সবাই অত্যন্ত একটিভ ছিলেন এবং তারা চেষ্টা করেছেন ভালো কাজ করার জন্য সেই কারণে ভোটটি সুষ্ঠু হয়েছে।
ইসি সচিব বলেন, ইউপি নির্বাচনে ঘরে ঘরে, পাড়ায় পাড়ায় প্রতিযোগিতা হয়। একটি পাড়া আরেকটি পাড়ার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে চায়। এই প্রভাব বিস্তার করার একটি প্রতিযোগিতা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে থাকে। প্রার্থী যারা তারা কিন্তু অতি আবেগী হয়ে যায় বিজয়ের জন্য। এসব কারণেই কিন্তু এই নির্বাচনে সহিংসতা হয়ে থাকে। তারপরও বলবো, যে ঘটনাগুলো ঘটেছে তার জন্য নির্বাচন কমিশন মনে করে এই ঘটনাগুলো না ঘটলে আরও ভালো হতো। আমরা মনে করি নেক্সট টাইম আরও ভালো ভোট হবে।
কত শতাংশ ভোট পড়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কত শতাংশ ভোট পড়েছে সেটি এই মুহূর্তে বলা কঠিন, যেহেতু ভোট কাউন্ট হচ্ছে। আমরা এ পর্যন্ত যে তথ্য পেয়েছি তাতে ৬৫ থেকে ৭০ ভাগ ভোট কাস্ট হয়েছে।
এমআর





