শাপলা খাতুন ওরফে সুমি। বাবা রিকশা চালক সখিন। গ্রামের বাড়ি পাবনা শহরস্থ রাধাণগর মক্তবপাড়া এলাকায়। দুবেলা ডাল ভাত রোজগার করতে কষ্ট হয়।
এজন্য গত ৬/৭ বছর আগে পাবনার বিভিন্ন জায়গায় দিনে হাজিরায় কাজ করেছে। এরপর আস্তে আস্তে মানুষের বাসা বাড়িতে কাজ শুরু করে সুমি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ করে বিপুল অংকের টাকার মালিক বনে যায় সুমি। ২০১৩ সালের জুলাই মাসে রাধানগর মক্তবপাড়া এলাকার নাজমুল হোসেনের কাছ থেকে ২ কাঠা সম্পত্তি কিনেছে। এজন্য সুমি নাজমুল হোসেনকে দিয়েছে নগদ দশ লাখ টাকা। ওই সম্পত্তির বর্তমান মূল্য প্রায় পনের লাখ টাকা। এখন প্রশ্ন হল কোথায় পেল এত টাকা? এর পেছনের রহস্যই বা কী?
জানা গেছে, সুমির চেহারা একটু ভালো হওয়ার কারণে সে স্বামী, সন্তান সত্ত্বেও খুব সহজেই যে বাসায় কাজ করে সে বাসার মালিক পরে যে কোন এক জনকে আকৃষ্ট করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।
এক সময় কক্সবাজারে একজন এমবিবিএস ডাক্তারের বাসায় গৃহপরিচারীকার কাজ করত সুমি। প্রথমে বাড়ির মালিক ডাক্তারের সাথে এবং পরে তার স্ত্রীর বড় ভাই প্রকৌশলীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। এ ঘটনায় তাকে কাজ থেকে বাদ দেয়া হয়।
পরে সে পাবনায় এসে মক্তবপাড়ায় এস,এস মঞ্জিল এর একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে জীবন যাপন শুরু করে।
সূত্রে জানা যায়, এখনও জনৈক ইঞ্জিনিয়ার পাবনার ভাড়া বাড়িতে যাতায়াত করে, সে ঢাকাতে চাকুরী করে, প্রতি মাসে ২/৩ দিন পাবনার বাসাতে আসে। এই ব্যাক্তির থেকে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সুমি।
এ ব্যাপারটি ইঞ্জিনিয়ার এর পরিবারের সবাই জানার কারণে সংসার এ চলছে সবসময় ঝগড়া-বিবাদ।
মক্তবপাড়ায় বিভিন্ন ব্যাক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন. আমাদের ধারনা সুমি কোন অবৈধ কাজের সাথে জরিত আছে।
সূত্র:পাবনা নিউজ
জেএ





