প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কে গডফাদার আর কে বাহিনীর সদস্য সেটা দেখা হচ্ছে না, যাকেই মাদকের সাথে জড়িত পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মাদকের সাথে পুলিশ বা র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে কোনো পর্যায়ের সদস্যকেই জড়িত পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
আজ (বুধবার) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নত্তর পর্বে এমন কথা বলেন।
দেশব্যাপী চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশ আইনের চেয়ে অস্ত্রের ব্যবহার বেশি করছে কীনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্ততা ছাড়া মাদকের এত বিস্তার কিভাবে ঘটলো সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এমন মন্তব্য করেন।
ভারত সফরের সময় তিস্তা চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কীনা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের ভারত সফর ছিল বঙ্গবন্ধু ভবন উদ্বোধন নিয়ে। তবে, দুই দেশের যৌথ নদী কমিশন এ বিষয়ে কাজ করছে।
শেখ হাসিনা বলেছেন, ২৫ কোটি ভারতীয় রুপি খরচ করে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবন রক্ষণাবেক্ষণ তহবিল থেকে প্রতি বছর ১০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে ফেলোশিপ দেবে বিশ্বভারতী।
তিনি বলেন, আমি ২০০৯ সালে এই ভবন নির্মাণ করার মনস্থির করি। বাংলাদেশ ভবন রক্ষণাবেক্ষণে ১০ কোটি স্থায় তহবিল আমরা গঠন করব। এই তহবিল থেকে অর্জিত লভ্যাংশ থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের ১০ শিক্ষার্থীকে এমফিল ও পিএইচডি অর্জনের জন্য ফেলোশিপ দেয়া হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরকালে যৌথ ইশতেহারে ‘বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের’ কথা উল্লেখ করা হয়। ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বাংলাদেশ সফরের সময় ২০১৩ সালে এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হয়।
তিনি বলেন, এরই অংশ হিসেবে আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থাপত্য অধিদফতর যৌথভাবে এ ভবনটি নির্মাণ করেছে। এতে ২৫ কোটি ভারতীয় রুপি খরচ হয়েছে।
ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বার বার প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করছেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করেন- জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াসহ ক্ষমতায় আসার পর কে ভারত সফর করেননি?
কেবি





