সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটে শ্রমিকের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে বলে দাবি করেছে শ্রমিক ঐক্য সংগঠন।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ দাবি জানানো হয়।

সভায় শ্রমিক নেতারা বলেন, ‘শ্রমজীবী মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। অথচ দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির রূপকার হচ্ছে শ্রমিক।’

তারা বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটের ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে গৃহস্থালী পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে, কৃষিখাতে ভতুর্কী কমানোর ফলে প্রান্তিক চাষীদের উৎপাদন খরচ বাড়বে। এতে করে কৃষিজাত পণ্যের দামও বাড়বে। তাতে নিম্নআয়ের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন হবে না।’

নেতারা বলেন, ‘যাদের হাতের ছোঁয়া না লাগলে দেশের উন্নয়ন হয় না সেই শ্রমিকের মজুরি বাড়াতে কোনো ব্যবস্থাই প্রস্তাবিত বাজেটে রাখা হয়নি।’

এ সময় শ্রমিক নেতারা বাজার দরের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সর্বস্তরের শ্রমিকের জন্য সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে একটি জাতীয় ন্যূনতম মজুরি প্রদানের ব্যবস্থা বাজেটে সন্নিবেশিত করার জোর দাবি জানান।

শ্রমিক নেতা আলমগীর মজুমদারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হারুনুর রশীদ খান, জাহাঙ্গীর আলম, ফয়েজ হোসেন, জয়নাল আবেদীন জনি, শামসুল হুদা মামুন, লস্কর মো. তসলিম, শামিমা আক্তার শিরীন, শফিকুল ইসলাম, আফজাল হোসেন বেপারী, মো. হানিফ প্রমুখ।

কেএইচ