মোবাইল ফোনে রিচার্জের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ নিলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ অ্যান্ড ব্যাংকিং ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. শফিকুর রহমান।

প্রথম শ্রেণির একটি ফোন কোম্পানির নাম উল্লেখ করে তিনি জানান, এ ধরনের বড় কোম্পানির কারণে এসব সমস্যা হয়।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ফুটপাতে ছাতা টানিয়ে ব্যবসা চালু করলেই তাদের টাকা রিচার্জের জন্য সিমের ব্যবস্থা করে দেয় কোম্পানিগুলো। যারা আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যই না।

শফিকুর বলেন, ‘যারা অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, তারা টাকা রিচার্জে অতিরিক্ত কোনো চার্জ নেয় না। এই জন্য এর আগেও সরকারের কাছে বারবার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করার দাবি জানিয়ে আসছি।’

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম বদরুদ্দোজা ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি এবং বিকাশের প্রতি অবিলম্বে ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়ানোসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছেন।

দাবিগুলো হলো- জনস্বার্থে এসব খাতে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। প্রতি হাজারে রিচার্জের কমিশন ২৭ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা করতে হবে।

নিবন্ধিত দোকান বা প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোনো ভ্রাম্যমাণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে রিচার্জের সিম দেওয়া বন্ধ করতে হবে। মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট কমিশন হাজারে ৪ দশমিক ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে হাজারে ৬ টাকা করতে হবে।

এজেন্ট সিম দেওয়া বা বন্ধ করতে হলে অ্যাসোসিয়েশনকে জানাতে হবে। গ্রাহকদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে একটি ফোন নম্বর সংযুক্ত করতে হবে, যাতে বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই। ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

দাবিগুলো আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বাস্তবায়ন করা না হলে ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা দিতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো ছিলেন সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন প্রমুখ।

এসএইচ