দিনাজপুরের বিরামপুরে উপজেলার বড়খুর ও ধানঘরা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন।পুকুরে পানি দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন বড়খুর গ্রামের সামছুল ইসলাম (৬৩), তাঁর ছেলে শাহিনুর আলম (৩০), ধানঘরা গ্রামের দেলোয়ার হোসেন (২৫), মাহবুবুর রহমান (২৮), মো. সুজন (২৫) এবং আঠারোজানি গ্রামের তোজাম্মেল হক (৫৫)।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে সামছুল ইসলাম, শাহিনুর আলম ও মাহবুবুর রহমানকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বড়খুর গ্রামের আবদুস ছাত্তার জানান, ১৫ ডিসেম্বর তিনি ছোট পুকুরাতে জমি চাষ করতে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত যন্ত্র বসান। তাঁর জমির পাশে ব্যাপারীটোলা গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের পুকুর রয়েছে। হাফিজ উদ্দিন পুকুরে পানি দেয়ার জন্য তাঁর সঙ্গে ১ হাজার ২০০ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন। পানি দেয়া শুরু হলে হাফিজ ৭০০ টাকা দেন। পানি দেয়া শেষ হওয়ার পর বাকি ৫০০ টাকা নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ১৭ ডিসেম্বর ছাত্তার জমিতে গিয়ে দেখেন, তাঁর শ্যালো যন্ত্র নষ্ট এবং দেড় বিঘা জমির আলু ধ্বংস করে রাখা হয়েছে। এই সময় ছাত্তার তাঁর লোকজনকে নিয়ে হাফিজুরকে ধরে নিয়ে আসেন।
গতকাল সকালে ধানগড়া গ্রামের মতিয়ার রহমান তাঁর অনুগত ৫০ থেকে ৬০ জনকে নিয়ে বড়খুর গ্রামে হামলা চালায়। এই সময় বড়খুর গ্রামের লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তুললে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। হাফিজুর রহমান আলুর খেত নষ্ট করা কথা অস্বীকার করেছেন।
মতিয়ার রহমান জানান, হাফিজুর রহমান দিওড় ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মামুনের বড় ভাই। মামুন তাঁর বড় ভাইকে মারার কারণ জানতে চাইলে বড়খুর গ্রামের লোকজন তাঁকেও মারধর করে। এ ঘটনায় উত্তেজিত হয়ে ধানঘরা গ্রামের লোকজন বড়খুর গ্রামে হামলা করে।
বিরামপুর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. আমিরুজ্জামান জানান, ঘটনার পর ওই দুই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ মামলা করতে আসেননি।
কেএইচ





