সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দায়িত্ব পালনকালে সীমাহীন ব্যর্থতা, ইসিকে দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং এই প্রতিষ্ঠানের মানমর্যাদা ও স্বাধীন সত্তা বিকিয়ে দেয়ার অভিযোগ মাথায় নিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বিদায় নিচ্ছেন রকীব কমিশন।

কাজী রকীবউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২০১২ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বিভিন্ন নির্বাচনের আয়োজন করে। কিন্তু প্রতিবারই শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হয়। নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় নির্বাচনী এলাকায়। ভয়ভীতি ও বাধার কারণে মনোনয়নপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হন প্রার্থীরা। অনেক প্রার্থী জমা দিলেও ক্ষমতাসীনদের চাপে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হন। এর পরেও নির্বাচন কমিশন ছিল নির্লিপ্ত। রকীব কমিশন নিজেই নির্বাচনপ্রক্রিয়া ধ্বংসের আয়োজন করেছে বলে কড়া সমালোচনা করেছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।

এ টি এম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের পর ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ পান কাজী রকীবউদ্দিন আহমদসহ পাঁচ সদস্যের কমিশন। তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল বিএনপি কমিশন নিয়োগে রাষ্ট্রপতির সংলাপে গেলেও নিয়োগের পরপরই কমিশনের বিরোধিতা করে।

বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পর রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, গাজীপুর ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আয়োজন করে। এই নির্বাচনগুলো অনেকটা শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করার চেষ্টা করে ইসি। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে চরমভাবে বিতর্কিত হয়ে পড়েন ইসি। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে নির্বাচনের আগে বিনাভোটে ১৫৩ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এ ছাড়াও মনোনয়নপত্র জমা ও প্রত্যাহারে অনিয়ম, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রত্যাহার না করলেও পেছনের তারিখে অনেকের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বাকি আসনগুলোতেও ভোট হয় একতরফা। এই নির্বাচনেই মূলত নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন সত্তা ভূলুণ্ঠিত হয়। পরিণত হয় দলীয় কমিশনে। ইসির বিরুদ্ধে সরকারের অনুগত কর্মী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো।

জাতীয় নির্বাচনের অব্যবহিত পরে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও ব্যর্থতার পরিচয় দেয় কমিশন। খোদ ইসির তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের নির্বাচনে ৬৪টি কেন্দ্র দখল, দখলের চেষ্টা, জাল ভোটের মতো অনিয়ম ঘটে। ২৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৯৮টি কেন্দ্র দখল, দখলের চেষ্টা, জাল ভোট- এসব অনিয়ম ঘটে। এ দিন সহিংসতায় একজন নিহত হন। ১৫ মার্চ তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে সহিংসতা আরো বাড়ে এবং তিনজন নিহত হন। কেন্দ্র দখল, দখলের চেষ্টা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, জাল ভোট- এসব অনিয়ম ঘটে ১৭৫টি কেন্দ্রে। এরপর ২৩ মার্চ চতুর্থ দফা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা, জাল ভোটের ‘উৎসব’সহ রীতিমতো ‘ভোট ডাকাতি’র ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি হামলা, সংঘর্ষ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে ২২০টি কেন্দ্রে। এ দিন সহিংসতায় নিহত হন চারজন।

সর্বশেষ ধাপে ভোটগ্রহণের আগের রাতে একজন নিহত হন। এ ধাপের বেশির ভাগ উপজেলায় ভোট শুরু হওয়ার আগেই কেন্দ্র দখল করে নেয়ার অভিযোগ ওঠে। সব মিলিয়ে এই ধাপে কমপে ৭৯ উপজেলায় ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ফলাফল পাল্টে ফেলা হয়।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যানুযায়ী, দেশের ৪৮৭টি উপজেলার মধ্যে পাঁচ ধাপে এ পর্যন্ত ৪৫৮টির নির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্রোহীসহ আওয়ামী লীগ ২৩২, বিএনপি ১৬২, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৩৬, জনসংহতি সমিতি ৯, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ ৪, জাতীয় পার্টি জাপা ৩, জাতীয় পার্টি-জেপি ১, এলডিপি ১ ও স্বতন্ত্রসহ অন্যরা সাতটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয় পান।
ভাইস চেয়ারম্যান (সাধারণ ও নারী) পদেও আওয়ামী লীগ সমর্থকেরা বেশি উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন। এই দল থেকে ৩৪২ জন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অন্য দিকে এ পদে বিএনপির ২৯৮ জন ও জামায়াতের ১৫০ জন নির্বাচিত হন।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল তিন সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে কারচুপি, জোরপূর্বক ভোটদান, কেন্দ্র দখল, জাল ভোট ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে বিএনপি সমর্থিত ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উত্তর সিটি করপোরেশনে তাবিথ আওয়াল এবং চট্টগ্রাম সিটির প্রার্থী মনজুর আলম ভোট বর্জন করেন। এ নির্বাচনে বিএনপির দাবির মুখে ইসি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিলেও শেষ পর্যন্ত তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। প্রথমে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিলেও পর দিন তাদের ক্যান্টনমেন্টে রাখতে প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে চিঠি দেন ইসি। এ নিয়ে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন ইসি।

এর ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় পৌরসভা নির্বাচন। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দলীয় প্রতীক নিয়ে পৌর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এ নির্বাচনেও ভোট ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সহিংসতায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একজন নিহত হন? পাওয়া যায় জালভোটের অভিযোগ? অনিয়মের ফলে নির্বাচনে ৩৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়? সংঘর্ষে আহত হন কয়েক শ’ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মী। ক্ষমতাসীনদের সহযোগিতার অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৫ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়?

নির্বাচনের দিন অন্তুত ১০০ এবং নির্বাচনের আগে ৫০টির বেশি লিখিত অভিযোগ করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা। অভিযুক্তরা বেশির ভাগই মতাসীন দলের মন্ত্রী-এমপি ও দলীয় নেতাকর্মী। কিন্তু নির্বাচন কমিশন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান তেমন ভূমিকা নেয়নি।

মাঠপর্যায়ের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে বিরোধী প্রার্থীরা শত শত অভিযোগ দাখিল করলেও এসব অভিযোগের ভিত্তিতে যেসব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
২৩৪টি কেন্দ্র থেকে তাদের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করে বিএনপি। দলটির নেতা রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, সহিংসতা এবং প্রশাসনের সহায়তায় আওয়ামী লীগের লোকজন প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মেরেছেন?

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দলের ১৭৪ জন পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। বিষয়টি ইসিকে জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি তারা।

অতীতে একাধিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও প্রথমবারের মতো ভোটকে সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করে নির্বাচন কমিশন। ভোটকে প্রবেশ করতে হলে প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি নেয়ার কথা বলা হয়। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে বেশিণ এবং পাঁচজনের বেশি সাংবাদিক থাকতে পারবে না বলেও ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

এ ছাড়াও চলতি বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ছয় ধাপে অনুষ্ঠিত চার হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ব্যর্থ হয় কমিশন। বিশেষ করে ইউপি নির্বাচনে কমিশনের ভাবমর্যাদা ভীষণভাবে ক্ষুণ্ন হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা এই নির্বাচন ইতিহাসের সব থেকে খারাপ নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের প্রায় দেড় শ’ লোক নিহত হন। আহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ায়। প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত হয় ৭১২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। ৩৬টি জেলায় অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের ৩২টিতেই সহিংসতা ও অনিয়মের ঘটনা ঘটে। নির্বাচনের দিনেই বিভিন্ন ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর গুলি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হন ১১ জন এবং আহত হন সহস্রাধিক। অনিয়মের কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয় ৬৫টি কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচনের পরের দুই দিনে এবং নির্বাচনের দিনে আহত আরো তিনজনসহ সহিংসতায় নিহত হন ছয়জন। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের আগেই সারা দেশের অনেক এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হন ১০ জন এবং আহত হন দুই সহস্রাধিক। সব মিলিয়ে প্রথম ধাপে নিহতের সংখ্যা ২৭ এবং আহত সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি।

গত ৩১ মার্চ দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে দেশের সাত উপজেলায় সহিংসতায় এক শিশু, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসহ আট নিহত হন। আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রার্থীসহ আহত হন কয়েক শ’ মানুষ। ভোটকেন্দ্র দখল ও জাল ভোটকে কেন্দ্র করে গুলি, বোমা বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছে ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক শিশু, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে তিনজন, মাদারীপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র, মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে এক নারী এবং নাটোরের লালপুর, যশোর সদর ও জামালপুরের মেলান্দহে একজন করে।

গত ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়া তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা ও ভোট জালিয়াতি মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। ৮১টি উপজেলায় ভোটগ্রহণকালে সহিংসতায় বাগেরহাট সদর ও শরীয়তপুরের নড়িয়ায় দু’জন নিহত হন। বিভিন্ন এলাকায় ব্যালট ছিনতাই ও সংঘর্ষে আহত হন দুই শতাধিক।

চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে পাঁচজন নিহত হন। এর মধ্যে রাজশাহীর বাগমারায় দুইজনসহ নরসিংদী, কুমিল্লা ও ঠাকুরগাঁওয়ে একজন করে মোট পাঁচজন নিহত হন। এ ছাড়াও জামালপুরে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিজ গুলিতে একজন বিডিআর সদস্য নিহত হন। চতুর্থ ধাপ পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হন ৭৮ জন এবং আহতের সংখ্যা ছয় হাজারেরও বেশি।

পঞ্চম ধাপের ভোটের সময়ও সহিংসতা, কেন্দ্র দখল, জালভোটসহ ব্যাপক অনিয়মের ঘটনা ঘটে। এ ধাপে ভোটের সময় সারা দেশে অন্তত ১০ জন নিহত হন। আহতও শতাধিক। সার্বিক বিবেচনায় আগের চার ধাপের চেয়ে পঞ্চম ধাপের ভোট বেশি ‘খারাপ’ হয়েছে বলে মনে করে খোদ কমিশন। এবারের সহিংসতা অন্যগুলোর চেয়ে বেশি হওয়ার বিষয়টি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকীবউদ্দিন আহমদও স্বীকার করেন।

পুরো নির্বাচনে প্রায় দেড় শ’ জন নিহত হন। এর মধ্যে নির্বাচনপূর্ব সংঘর্ষে ৪৫ জন, ভোটের দিন সংঘর্ষে ৪৬ জন এবং ভোটের পর সংঘর্ষে ২০ জন নিহত হন। এর আগে ১৯৮৮ সালের নির্বাচন সবচেয়ে বেশি সহিংসতাপূর্ণ ও প্রাণঘাতী ছিল। ওই নির্বাচনে ৮০ জনের প্রাণহানি হয়। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইউপি নির্বাচনে ১০ জনের প্রাণহানি হয়। ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের আমলে ২৩ জন মারা যান।

প্রাণহানিতে অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের বিরুদ্ধে কখনো নির্বাচন কমিশনকে কঠোর হতে দেখা যায়নি। এটাও সহিংসতা বৃদ্ধির বড় কারণ।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমান কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হয়নি। নির্বাচন পরিচালনায় এ কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। সহিংসতার পাশাপাশি ব্যাপক ভোট কারচুপির ঘটনা ঘটেছে। সহিংসতার ঘটনা জানার পরও কমিশন নীরব ভূমিকা পালন করেছে। এ কমিশন শুধু নির্বাচন পরিচালনায় ব্যর্থ নয়, পুরো নির্বাচনীপ্রক্রিয়াকে ধ্বংস করেছে বলেও তার অভিযোগ।

সূত্র: নয়াদিগন্ত

জারিফ