বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চলতি মাসের শেষদিকে শুরু হবে।তবে এক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের সব ধরনের কাগজপত্র দেখাতে হবে বলে শনিবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব মিন্ট কিয়াং।
মিন্ট কিয়াং বলেন, ‘ডিসেম্বরের শেষদিকে শরণার্থী গ্রহণে প্রস্তুত হবে মিয়ানমার। তবে একটি বিষয়, এখনও বাংলাদেশ থেকে আমাদের কাছে নিবন্ধন ফরম পাঠানো হয়নি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ছবিসহ সম্পূর্ণ ফরম পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রক্রিয়া শেষ হলেই শরণার্থী গ্রহণ শুরু হবে।’
মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ডিভিবি জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মাঝে ওই ফরম বিতরণ করার কথা রয়েছে। রাখাইনে ফিরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের সেখানে তাদের নাম, বাবা-মায়ের নাম, আত্মীয়-স্বজনদের নাম ও ঠিকানা লিখে জমা দিতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনের তাংফাইলেটওয়ে ও নাখুয়াতে ক্যাম্প নির্মাণের কাজ চলছে, যা ডিসেম্বর নাগাদ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে আসা ৪ লাখের মতো রোহিঙ্গা গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে।
এরপর গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে নতুন করে দমন অভিযান শুরুর পর আরও সোয়া ৬ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে ঢুকেছে। কক্সবাজারে অস্থায়ী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে তারা। এসব রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সম্প্রতি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
জেড





