সিলেটের কানাইঘাট থেকে মাইশা (১৩) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ‘অপহরণের’ পাঁচ দিন পরও উদ্ধার হয়নি। এতে স্বজনদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।
এ ঘটনায় মাইশার মা বাদি হয়ে চারজনকে আসামি করে কানাইঘাট থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন।
গত ১৫ মার্চ রোববার মাইশাকে অপহরণ করা হয় বলে মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মাইশা কানাইঘাটের দুর্বলপুর গ্রামের শাকেরা বেগমের মেয়ে।
রোববার সকাল ৮টার দিকে প্রাইভেট পড়ার জন্য মাইশা নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। মনসুরিয়া ত্রিমোহনী এলাকায় আসার পর একই এলাকার মৃত ইসহাক আলীর ছেলে বাহার উদ্দিন (২১), জমির উদ্দিন (২৪) ও এনাম উদ্দিন (২৮) গংরা মাইশাকে জোর করে একটি সিএনজি অটোরিকশায় উঠিয়ে নিয়ে যায়।
অপহরণের বিষয়টি মাইশার পরিবার জানতো না। তাই নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও মাইশা বাড়ি না ফেরায় কানাইঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয় (নং ৬৪২)।
পরে প্রতিবেশি মৃত জায়ফর আলীর ছেলে নুরুল আমিন ও ছোটদেশ গ্রামের মামুনুর রশীদের কাছ থেকে মাইশার অপহৃত হওয়ার খবর পান তার মা শাকিরা বেগম। এরপর তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বাহার উদ্দিনসহ চারজনের নামোল্লেখ করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
মাইশার মা শাকিরা বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, পাঁচদিন হয়ে গেল আমার মেয়ের কোনো সন্ধান পাইনি। আমি আর ধৈর্য্য ধরে রাখতি পারছি না। পুলিশ তাকে কোনো সঠিক তথ্য জানাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে ফোনে জানতে চাইলে কানাইঘাট থানার ওসি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী বলেন, ‘আমি কিছু জানি না। মেয়ের মায়ের কাছে ফোন দেন।’ এ কথা বলেই তিনি ফোন কেটে দেন। পরে আবারও তাকে ফোন দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।
তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাশেদুল আলম খান জানান, মাইশাকে উদ্ধারের জন্য জোরালো তৎপরতা চলছে।
এমকে





