চিকিৎসার অবহেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ তুলে মেহেরপুর প্রগতি ক্লিনিকে হামলা চালিয়েছে স্থানীয়রা। এসময় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এছাড়া সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে নিহতের স্বজনরা।

মঙ্গলবার দুপুরে ইমরান হোসেন (২৬) নামের ওই ছাত্রের মৃত্যুর পরে উত্তেজিত লোকজন ক্লিনিকে এ হামলা চালায়।

খবর পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ক্নিনিকে গিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুর একটার দিকে স্থানীয় কিছু লোকজন উত্তেজিত হয়ে প্রগতি ক্লিনিকে ঢুকে রোগীদের বের করে দেয়। এসময় তারা সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ক্লিনিকের বেড, অপারেশন থিয়েটার, এক্সরে রুমসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি পুড়ে যায়। খবর পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নেভায়।

মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সেলিম রেজা  জানান, আগুনে ক্লিনিকের মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। তবে এখনো ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ক্লিনিকে আগুন দেয়ার পর বিকাল তিনটার দিকে উত্তেজিত লোকজন শহরের নতুনপাড়া মোড়ে অবরোধ করে। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা। এতে মেহেরপুর-মুজিবনগর সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অভিযুক্ত ক্লিনিক মালিক ও চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মেহেরপুর পুলিশ সুপার হামিদুল আলম  জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। সড়ক অবরোধ তোলার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

মেহেরপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের নতুনপাড়ার খাইরুল আলমের ছেলে এবং ঢাকার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ শেষ বর্ষের ছাত্র ইমরান হোসেনকে দুপুরে মেহেরপুর প্রগতি ক্লিনিকে অপারেশন করা হয়। পরে সেখানে তার মৃত্যু হয়। স্বজন ও স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন চিকিৎসার অবহেলায় তার মৃত্যু হয়েছে।

জেআই