উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের গুলিতে রোহিঙ্গা নুরুল ইসলাম (৩৫) গতকাল রোববার সন্ধা সাড়ে ৭ টার দিকে নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

সে কুতুপালং রেজিষ্ট্রাট ক্যাম্পের মৃত আব্দুল বাছেদের ছেলে বলে জানা গেছে।

গতকাল রোববার সন্ধায় ডিমাইন এলাকায় একটি পানের দোকানে বসা অবস্থায় তাকে প্রতিপক্ষরা গুলি করে। রোহিঙ্গারা তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্প হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে কক্সবাজারে পাঠিয়েদেন উন্নত চিকিৎসার জন্য। রোহিঙ্গা বস্তির চেয়ারম্যান আবুছিদ্দিক ও নিহত নুরুল ইসলামের শাশুর আব্দুর রহমান জানান, তাকে কক্সবাজার হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

রেজিষ্ট্রাট ক্যাম্পের শামশু মাঝি জানান, ক্যাম্পের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে দু গ্রুপের সাথে মত বিরোধ চলে আসছিল। তাকে সম্প্রতি আরেকবার গুলি করছিল প্রতিপক্ষ রেজিষ্ট্রাট ক্যাম্পের খাইরুল আমিন ও ডাকাত আবু তৈয়ব। ক্যাম্পের নিয়ন্ত্রন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গেল রোববার রাতে বস্তির রোহিঙ্গা আবুল বাছেরও নিহত হয়েছে।

বর্তমানে উখিয়ার কুতুপালং রেজিষ্ট্রাট ক্যাম্প ও রোহিঙ্গা বস্তির আইনশৃংখলা চরম ভাবে ব্যাহত হলেও আইনশৃংখলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে গেছে রোহিঙ্গা শিবির। রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত ক্যাম্প ইনচার্জ মাহমুদুল হক গুলি বর্ষণের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

 

এমআইএস।