এবার রাজধানীর উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মিলে ২৩টি স্থানে গরুর হাট বসবে বলে জানিয়েছে দুই সিটি কর্তৃপক্ষ।
গরুর হাটগুলোতে তিন স্তরের নিরাপত্তার পাশাপাশি জাল নোট সনাক্তকরণ মেশিন এবং বৃষ্টিকে মাথায় রেখে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
খোঁড়া হচ্ছে মাটি, বসানো হবে খুঁটি। সামনেই কোরবানি ঈদ, তাই পশুর হাটগুলোকে সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা।
সূত্র জানায়, কোরবানির পশু বেচাকেনায় এবার রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ব্যবস্থা থাকছে ৯টি পশুর হাট এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে থকছে ১৪টি পশুর হাট। এরই মধ্যে বেশির ভাগ হাটের প্রায় ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান ইজারাদাররা।
হাটগুলো যেন জনদুর্ভোগের কারণ না হয় সেদিকেও নজর রাখার পরামর্শ সচেতন নাগরিকের।
পশু হাটগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি, জাল নোট সনাক্তকরণ মেশিনের ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানায় দুই সিটি কর্পোরেশন। সেইসাথে নির্দিষ্ট স্থানের বহিরে পশুর হাট সম্প্রসারণ করলে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা বলেন, পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের কোনরকম হয়রানি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যাতে না হয় সেদিকে পূর্ণ নজর রাখা হবে।
ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে পশুর হাট সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠিন ব্যবস্থা।
হাটগুলোতে কোরবানির পশু প্রতি হাসিল নির্ধারণ করা হয়েছে শতকরা ৫ ভাগ।
এমআর





