দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রুহুল আমিনকে অপসারণের দাবী জানান তারা।
আজ মঙ্গলবার দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনে একটি মানববন্ধন সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানান,গত শনিবার হঠাত করে কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেন। এতে বিপাকে পরে শিক্ষার্থীরা।
মাত্র ২ ঘন্টার ব্যবধানে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সকল ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশ দেন।বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এরকম স্বাভাবিক পরিবেশে কোন কারণ ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়ার নজির নেই।
তিনি তার ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধার করার জন্যই বিভিন্ন চক্রান্ত এবং নোংরামি করেছেন।বিশ্ববিদ্যালয়ে হল ত্যাগের প্রতিবাদে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মানববন্ধন করেন।
শিল্পকলা একাডেমীর সম্মুখে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ইফতেখারুল ইসলাম রিয়েল এক বক্তব্যে বলেন,
ভিসি প্রফেসর রুহুল আমিন বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তির চেয়ে তার ব্যক্তিগত স্বার্থ বড় করে দেখে আসছেন। এই উপাচার্য শুধু শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকেই ছাত্রদের মুখোমুখি করেননি।তিনি ক্যাম্পাসে যে কোন সময় যে কোন রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পিছপা হননি।
এমনকি তিনি তার গাড়ীর ড্রাইভার দ্বারা ছাত্রদের নামে মামলা করতেও দ্বিধা করেন নি, যা তার নোংরা চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ।তিনি ইতিমধ্যেই ব্যক্তিগতভাবে কিছু ছাত্রদল ও শিবির কর্মীদের বাসায় ডেকে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় খুললে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘের ঘটনা ঘটতে পারে।তিনি কোন আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেননি। অনিয়ম তান্ত্রিকভাবে কোন রকম সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়াই ব্যক্তিগত আক্রশের বসবতি হয়ে ৩ জন ছাত্রকে আজীবন বহিঃস্কারের সিদ্ধান্ত নেন যা ফাঁসির সমতুল্য।
এমকে





