নদীতে মাছ ধরার সময় অভিযান চালিয়ে ৮ জেলেকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকৃতদের ৩ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক জেলে হওয়ায় মুচলেকায় ছেড়ে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ২০ হাজার মিটার কারেন্টজাল ও ৩ মণ জাটকাও জব্দ করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ আ. সাদীদ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেলেদের ওই দণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- আমিরাবাদ এলাকার আলমগীর বেপারীর ছেলে সিয়াম বেপারী (১৮), একই এলাকার জমির মিয়ার ছেলে মঞ্জিল হোসেন (২০), মহিন সর্দারের ছেলে শিবলু (১৭), বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের খেরুদিয়া এলাকার তাইজুদ্দিন বকাউলের ছেলে ফজল বকাউল (৫০), একই এলাকার সিরাজুল বেপারীর ছেলে জামিন হোসেন (১২), সবুজ দেওয়ান (১৫), আল-আমিন (৩৫) ও সাদেক বেপারী (৪৫)। এদের মধ্যে আল-আমিন ও সাদেক বেপারীকে ১ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড করা হয়।
উল্লেখ্য, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার নদীতে মার্চ থেকে এপ্রিল দু’মাস সব ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষেধ। সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক শ্রেণীর অসাধু জেলে মাছ নিধন করছে। ফলে জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশ বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে জেলেদের আটক করছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল-জরিমানা করা হচ্ছে।
জেআই





