মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী ঘরবন্দি মানুষের চিরায়ত উৎসবের আমেজ অনেকটাই বিবর্ণ। তারপরও আজ (১৪ মে) শুক্রবার উৎসবের দিন- পবিত্র ঈদুল ফিতর।
গত বছরের মতো এ বছরও তা পুরোপুরি বিপরীত। বৈশ্বিক মহামারীর কারণে এবার ঈদ উদযাপন হচ্ছে সীমিত পরিসরে। এ বছর ঈদের জামাতের ব্যবস্থা করা হয় মসজিদে।
সরকারের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, মহামারিকালের এ ঈদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। বাইরে না গিয়ে ঘরে থেকে পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কাটাতে হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। করোনাকালে এসব বাধা বিপত্তির পরেও আজ শুক্রবার দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যেই দেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাতে হাজার হাজার মুসল্লি অংশ নিয়েছেন। নামাজ শেষে খুতবা পেশ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় দোয়া ও মোনাজাত।
শুক্রবার সকাল ৭টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির ছিলেন মুয়াজ্জিন হাফেজ কারী কাজী মাসুদুর রহমান।
বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। পর্যায়ক্রমে আরও ৪টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা, ৯টা, ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিটে বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
নামাজের আগে দূর দূরান্ত হতে মুসল্লিরা বায়তুল মোকাররম মসজিদে আসতে শুরু করেন। মসজিদের ভিতরে নামাজের জায়গা না পেয়ে অনেকে বাইরে নামাজ পড়েন।
মসজিদের প্রবেশ পথে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়। যাদের মুখে মাস্ক নেই তাদেরকে বিনামূল্যে মাস্ক সরবরাহ করছেন মসজিদ কর্তৃপক্ষ। মুসল্লিরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে জামাতে অংশ নেন। তবে মুসল্লিরা সবাই মাস্ক পরলেও সামাজিক দূরত্ব মানতে অনেকের মধ্যে অনীহা দেখা গেছে।
এমবি





