গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হাসান মণ্ডল জিমের বিরুদ্ধে রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝড়ো হাওয়ায় সাদুল্যাপুর-নলডাঙ্গা পাকা সড়কের কান্তনগর বাজার ব্রিজের দক্ষিণ পার্শ্বের কয়েকটি গাছ এবং পরিষদের বিভিন্ন রাস্তার গাছপালা ভেঙ্গে ও উপড়ে পড়ে যায়।
সেই সুবাদে ভেঙ্গে ও উপড়ে পড়া গাছসহ কিছু সংখ্যক ভাল গাছ অবৈধভাবে কেটে সাবার করেছেন চেয়ারম্যান মনোয়ার হাসান মণ্ডল জিম। এবিষয়ে এলাকাবাসী বাধা দিতে গেলে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও হুমকী প্রদর্শন করেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
পরে এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাবহী অফিসারের বরাবর অবৈধভাবে গাছ কাটার বিষয়ে পৃথক দু'টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এছাড়া অপর একটি অভিযোগে জানা যায়, উক্ত চেয়ারম্যান জিম মণ্ডল পরিষদের ১ পার্সেনের ২ লাখ, ১ হাজার, ১শ' ৩৫ টাকা কোনো খাতে ব্যয় না করে সমুদয় টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন। এঘটনায় ইউপি সদস্য কতৃক গাইবান্ধা ডিডিএলজি বরারব একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হাসান মণ্ডল জিম বলেন, জেলা পরিষদের অনুমতি সাপেক্ষে কিছু মরা ও ঝুকিপুর্ণ গাছ কাটা হয়েছে। যা পরিষদের উন্নয়ন কাজে ব্যবহার করা হবে। আর ১ পার্সেনের টাকা স্যানিটেশন খাতে ব্যায় করা হয়েছে মর্মে তিনি জানান।
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, গত ২৩ মে ঝড়ে ওই এলাকায় কিছু সংখ্যাক গাছ উপড়ে পড়ে যায়। এসব গাছ চেয়ারম্যান মনোয়ার হাসান মণ্ডল জিমের জিম্মায় রাখা হলে তিনি আমাদের অজান্তে গাছগুলো কর্তন করেন এবং এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৬ মে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান জিম মণ্ডল অবৈধ ভাবে ২৫ হাজার টাকার মল্যের দূটি গাছ কেটেছেন। যা জেলা প্রশাসককে প্রতিবেদন আকারে জানানো হয়েছে।
টিএইচ/ এআর





