রাজধানীর মিরপুর রূপনগরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থের বিনিময়ে ১৪১ প্লটের ১০ হাজার বাসিন্দাকে উৎখাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এদিকে রূপনগরবাসী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা তয়িবুর রহমানের চলতি আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে দায়ের করা অভিযোগটি আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক ।
ফলে শিগগিরই এ অভিযোগটি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একাধিক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিচ্ছেন দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখা থেকে।
জানা যায়, ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর সরকার সর্বন্মি আয়ের মানুষদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মিরপুর রূপনগর ৫ নং সেকশনে ভূমি হুকুম দখল করেন। ওই স্থানে ১৪১টি অনির্মিত প্লট ও খালি জায়গায় ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন ১০হাজার পরিবার।
১৯৯৮ সালে তৎকালিন সরকার ৬৩২ বর্গফুটের একেকটি প্লটের বিপরীতে ৭০ হাজার ২৪০ টাকা জমা নিয়ে বিদ্যমান বাসিন্দাদের অনুকূলে বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি করে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মামুন মোরশেদ, সার্ভেয়ার জহির, খালেদসহ জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারি প্লটগুলো গোপন সমঝোতায় নিজ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বরাদ্দ দিচ্ছেন। বিদ্যমান বাসিন্দাদের কাছ থেকে চাহিত অর্থ না পেয়ে তারা উচ্ছেদ প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।
ঢাকা, একে, ২৭ আহস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম,এসএইচ





