বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই মহাপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকার বায়ুদূষণ কমাতে ২৫০টি আধুনিক ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ৫ বছরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫ লাখ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খালি জায়গায় ‘মিয়াওয়াকি ফরেস্ট’ বা নগর বনায়ন করার মাধ্যমে শহরকে সবুজে ছেয়ে ফেলার কাজ চলছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে একটি সমন্বিত জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর করা হচ্ছে, যাতে সব বর্জ্যকে ‘জিরো বর্জ্য’-তে নামিয়ে আনা যায়। নদী ও খাল রক্ষা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের জন্য ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের সম্পৃক্ততা ও এই ১২ দফার বাস্তবায়নে ঢাকা হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী।

এমএম