রাজশাহীর পদ্মায় নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ কনের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মোট ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। নিখোঁজ সবাইকে খুঁজে পাওয়ায় উদ্ধার কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে পদ্মার শ্যামনগর এলাকা থেকে তার মৃরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলাম।

এর আগে এ ঘটনায় রোববার আরও দু’জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুপুরে জেলেদের জালে উঠে আসে রুবাইয়া আক্তার স্বর্ণার (১২) মরদেহ। রুবাইয়ার বাবার নাম রবিউল ইসলাম রবি। তাদের বাড়ি পবার আলীগঞ্জ মোল্লাপাড়ায়। সে কনে পূর্ণির ফুপাতো বোন। অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে।

বিকাল ৩টার দিকে চারঘাটে পূর্ণির খালা আঁখি খাতুনের (৪৮) লাশ উদ্ধার করা হয়। আঁখির বাবার নাম আবুল হোসেন। তার বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলার ডাঙেরহাটে। আঁখির স্বামী আসাদুজ্জামান জনির বাড়ি মহানগরীর ভাটাপাড়া এলাকায়।

এ ছাড়া রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডুবে যাওয়া দ্বিতীয় নৌকাটি নদীর তলদেশ থেকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে শনিবার দুপুরে অন্য নৌকাটি উদ্ধার করা হয়েছিল।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মাঝপদ্মায় ডুবে যায় বর-কনে ও তাদের স্বজন মিলে ৫০ জনকে বহনকারী দুটি নৌকা। তখন থেকেই ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, নৌ-পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়। উদ্ধারকাজ দেখতে রোববারও দিনভর অসংখ্য মানুষ পদ্মারপারে ভিড় করেন। ছিলেন নিহতদের স্বজনরাও।

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ডিঙি নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী তোলার কারণে ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আর চালকরা ছিলেন অদক্ষ। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলবে তদন্ত কমিটি।

এএস