ভোলার কলাতলীর চর এলাকার ১৫৬ জন শিক্ষার্থীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মেঘনা নদীতে এ বছর তীব্র ভাঙনের ফলে কলাতলীর চর মনপুরা উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর মনপুরা উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পারীক্ষায় ২৭৬৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এদের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১২৯০ জন এবং আনন্দ স্কুল থেকে ১৪৭৫ জন। এদের মধ্যে কলাতলীর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৬২ জন, মাছুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (প্রস্তাবিত) থেকে ১২ জন, মনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২৩ জন এবং সাতটি আনন্দ স্কুল থেকে মোট ১৫৬ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
একাধিক অভিভাবক জানান, কলাতলীর অধিকাংশ মানুষ ভূমিহীন এবং প্রায় সবাই নদীতে মাছ ধরে ও চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রতিদিন মেঘনা পাড়ি দেওয়া বা কেন্দ্রের কাছাকাছি থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অনেক ব্যয়বহুল। তাই তাদের সন্তানদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তারা জানান, কলাতলীর চরে একটি কেন্দ্র স্থাপন করা গেলে তাদের সন্তানেরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল বাকী জানান, কেন্দ্র স্থাপনে জটিলতা আছে। এই মুহূর্তে কলাতলীর চরে কেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব নয়। তবে কলাতলীর চরের পরীক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে সে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
২৩ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।
জেআই





