শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারকে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে নিয়েছেন পরিবার সদস্যরা। ফরহাদ মজহারের স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বড়বোন ফেরদৌস আরা লিলি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আদালত থেকে বের হওয়ার সময়ই ফরহাদ মজহারকে খুব অসুস্থ দেখাচ্ছিল। তার রক্তচাপ ও ডায়াবেটিক রয়েছে। বাসায় আসার পথেই তাকে বারডেমে নেওয়া হয়েছে। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।’
লিলি আরো বলেন, ‘সেখানে শারীরিক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর ডাক্তারের পরামর্শমতো পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।’
মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের নির্দেশে বাসায় ফেরার অনুমতি পান ফরহাদ মজহার। সোমবার সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় অপহৃত হন তিনি। অপহরণের ১৮ ঘণ্টা পর যশোরের নওয়াপাড়া তাকে উদ্ধার করে র্যাব। উদ্ধারের পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হয়।
ফরহাদ মজহারকে সোমবার ভোর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে তার পরিবার আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের নওয়াপাড়ায় খুলনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
খুলনা থেকে মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে ফরহাদ মজহারকে রাজধানীর আদাবর থানায় আনা হয়। সেখান থেকে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ডিএমপির (মিডিয়া) যুগ্মকমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফরহাদ মজহার জানিয়েছেন- সোমবার সকালে ওষুধ কেনার জন্য তিনি বের হলে কয়েকজন অজ্ঞাত লোক চোখ বেঁধে নিয়ে যায় তাকে। এরপর তিনি আর কিছুই জানেন না। পরে ফরহাদ মজহারের ফোন থেকে তার পরিবারের কাছে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চান অপহরণকারীরা।’
ফরহাদ মজহার স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে ভ্রমণের উদ্দেশে বের হয়েছিলেন- পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদের এমন দাবির প্রসঙ্গে আব্দুল বাতেন বলেন, ‘কে, কোথায়, কী বলেছেন সেটা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। আমরা আমাদের মতো করে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করছি।’
এমএনজে





