চার বছরের ব্যবধানে চট্টগ্রাম থেকে জনশক্তি রফতানি এক তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের মতো মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার ধরে রাখতে না পারায় জনশক্তি রপ্তানিতে এ ধস নামে। এজন্য রিক্রুটিং এজেন্টরা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অদক্ষতা ও কূটনৈতিক ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন। তবে সরকারী নানা উদ্যোগে জনশক্তি রপ্তানি পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
জনশক্তি রফতানিতে কুমিল্লার পর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চট্টগ্রাম। ২০১১ সালে চট্টগ্রাম থেকে ৭৩ হাজার ৩২৩ জন বিদেশ গেলেও চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত গেছে ২১ হাজার ৩৬৬ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪ হাজার ৩৪৪ জন গেছে ওমানে। আর বাংলাদেশের বৃহৎ শ্রমবাজার সৌদি আরবে গেছে মাত্র ৮জন।
এ প্রসঙ্গে আরব বেঙ্গল ওভার সিজের রিক্রুটিং এজেন্ট এম এস আলম বলেন, 'সৌদি আরব থেকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক কয়েকটি ভিসা ইস্যু হয়। সরকারের কোনো হাত নেই এখানে। তাই সৌদি আরবে যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা খুবই কম।'
তবে সৌদি আরব ও আরব আমিরাতে জনশক্তি রফতানি স্বাভাবিক আছে দাবি করে জনশক্তি কর্মসংস্থান অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, চাহিদার ওপর জনশক্তি রপ্তানি ওঠানামা করে।
এ প্রসঙ্গে জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারী পরিচালক জহিরুল আলম মজুমদার বলেন, 'দুবাই ও সৌদি আরবে শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে কিন্তু আমাদের তথ্য সেটা বলে না। ৮ হাজার ৮শ' ৮৩ জন সৌদি আরবে নতুন ভিসা নিয়ে কাজ করতে গেছেন।'
এক্ষেত্রে রিক্রুটিং এজেন্টদের অভিযোগ, সৌদি আরব ও দুবাইয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু লোক গেলেও তা খুবই নগণ্য। মধ্যপ্রাচ্যে হারানো শ্রমবাজার পুনরুদ্ধারে সরকারী তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে সুযোগ দেয়ার দাবি তাদের। বাংলাদেশ বিশ্বের ১৫৯টি দেশে জনশক্তি রপ্তানি করে। চলতি বছর অক্টোবর পর্যন্ত দেশ থেকে জনশক্তি রফতানি হয়েছে মোট ৩ লাখ ৩৭৩ জন।
জেআই





