বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়। টেন্ডার জমা দেয়া নিয়ে এ সংঘর্ষ ঘটে বলে জানা যায়।

এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ৬টি মোটরসাইকেল, উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষের কয়েকটি চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় একটি ইউপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ ঠেকাতে ফাঁকা গুলি ছুড়েছে পুলিশ।

এডিপির ৬৫ লাখ ৫৪৩ টাকা ব্যয়ে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে বক্স কালভার্ড, রাস্তা নির্মাণ ও ভবন সংস্কারের জন্য ৯ গ্রুপের টেন্ডার গত ৬ ফেব্রুয়ারি আহ্বান করে উপজেলা প্রকৌশল অফিস।

ওই টেন্ডারের অনুকূলে মঙ্গলবার শিডিউল ফরম বিক্রির শেষদিনে ৩১টি শিডিউল ফরম বিক্রি হয়। গতকাল শিডিউল ফরম দাখিলের শেষদিন ধার্য ছিল। সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম খানের সভাপতিত্বে সমন্বয় সভা শুরু হয়।

সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম খানকে ওই ৯ গ্রুপের টেন্ডার গুম করে দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করেন ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু। এ সময় পিকলু উপজেলা চেয়ারম্যানকে নাজেহাল করেন।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা মো. শাহ আলম খানের ২৫-৩০ সমর্থক লাঠিসোটা নিয়ে উপজেলা পরিষদে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলাকারীরা সভাকক্ষের চেয়ার-টেবিল ও এলজিইডির অফিসের জানালা ভাংচুর করে। তখন ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর সমর্থকরা পাল্টা হামলা চালালে উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হন।

এসএইচ