যমুনার পানি কমতে শুরু করেছে। তবে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র নিশ্চিত করেছে। এছাড়া যমুনায় পানি কমলেও সিরাজগঞ্জ সদর, কাজীপুর, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

জানা গেছে, জেলার কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ এখনও পানিবন্দি। বন্যার পানি কমতে শুরু করায় ডায়রিয়া, আমাশয়সহ নানা পেটের পীড়া দেখা দিয়েছে। বন্যাকবলিতরা নানা ধরনের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ায় দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছেন। বন্যায় জেলার শতাধিক স্কুলে পানি ওঠায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল চন্দ্র শীল এনায়েতপুর সলিড স্পার বাঁধ সম্পর্কে জানান, ২০০০ সালে সাড়ে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কিলোমিটার দীর্ঘ সলিড স্পারটি নির্মাণ হয়। কিন্তু বর্তমানে যমুনায় প্রবল স্রোতের কারণে স্কাওয়ারিং হয়ে সোমবার বাঁধে ধস নামে। তবে এখন ওই স্থান নিরাপদ।

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. বিল্লাল হোসেন জানান, যমুনার পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বন্যাদুর্গতদের জন্য জেলায় ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি দুর্গত এলাকায় প্রায় ৫০টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই