ভোলার চরফ্যাশনে থানায় হামলা চালিয়েছে শ্রমিক লীগ নেতাকর্মীরা। এসময় ১০ পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।
জমি দখল, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি ও খুনসহ ভিন্ন অপরাধে সংগঠনটির ৫ নেতাকর্মীকে আটকের প্রতিবাদে রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার মধ্যরাতে থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে উপজেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আবুল কাশেম বাতান, তার শ্যালক ফারুক, ভাতিজা মঞ্জু বাতান, সাইদ ও শরীফকে আটক করে।
এ ঘটনার জের ধরে রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কাশেম বাতানের স্বজন ও সমর্থকরা থানায় হামলা করে এবং সদরে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে।
পরে লালমোহন, চরফ্যাশন, দক্ষিণ আইচা ও শশীভূষণ থানা পুলিশ এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সময় ১০ পুলিশসহ ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কাশেম বাতানের বড়ভাই জিন্নাগড় ইউপি সদস্য কাজল বাতানকে চরফ্যাশন হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
চরফ্যাশন থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপ-পলিশ পরিদর্শক বেলাল জানান, সকালে বেলা কাশেম বাতানের বড়ভাই কাজল বাতানের নেতৃত্বে মিছিল বের করা হয়।
পরে মিছিল থেকে থানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালায় তারা। এসময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে ১০ পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল বাসার জানান, আটকদের বিরুদ্ধে উপ-মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে জমি দখল, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি ও খুনসহ ভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগগুলো যাচাই বাচাই করা হচ্ছে।
এআর





