জেলার হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে থেকে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা। মেলাকে ঘিরে চাঁদপুরের সর্বত্র উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

সোমবার সকাল থেকে এ মেলা শুরু হয়েছে।  

বিজয় মেলা জেলাবাসীর প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। প্রতি বছরের মতো নভেম্বর মাস মেলার প্রস্তুতি শুরু হয়।

মেলা নিয়ে চাঁদপুরের মানুষের মাঝে থাকে নানা জল্পনা-কল্পনা। অবশেষে যথাসময়ে শুরু হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধের বিজয় মেলা। জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে পহেলা ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে এবারের মেলা।

এবারের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা ২৩ বছরে পদার্পণের মধ্য দিয়ে জেলাবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে সম্প্রতির বন্ধনের কথা। ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর চাঁদপুর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

চাঁদপুরবাসীর বিজয় মেলা উৎসবে পরিণত হবে সবার কাছে। এবারের মেলায় ১শ ৪৩টি স্টল থাকছে। এছাড়া একটি প্রদর্শনী সেন্টারসহ দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

সংশ্লিষ্টরা  জানান, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শুরু হবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান। দেশের খ্যাতিমান ব্যক্তিসহ মুক্তিযোদ্ধা ও পেশাজীবীরা যুদ্ধের স্মৃতিচারণ করবেন। এছাড়াও থাকবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের অনুষ্ঠান।

যুদ্ধের স্মৃতি সব শ্রেণীর মানুষের কাছে প্রদর্শনের জন্য রয়েছে বিশেষ ছবির গ্যালারি। এছাড়াও মেলার আর্থিক সহযোগিতার জন্য থাকছে লাকি কুপনের ব্যবস্থা।

সারি সারি দোকান আর মেলার আলোকসজ্জার জন্য করা হয়েছে বিশেষ লাইটিংয়ের ব্যবস্থা। মাঠের চারদিকে ইতোমধ্যে টিনের বাউন্ডারির কাজও শেষ হয়েছে।

৩০ নভেম্বর বিকালে বিজয় মেলার সার্বিক কার্যক্রম মেলার উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান, সদস্য সচিবসহ কর্মকতারা মেলার পরিচালনার বিষয়ে সার্বিক আলোচনা করেন।

৮ ডিসেম্বর মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

জেআই