নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এসএম ফিরোজ সরকারের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিত স্ত্রীর পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনায় ডিমলা থানা পুলিশের মাধ্যমে সাড়ে ৫ লাখ টাকার রফাদফার চেষ্টাও করা হয়েছে। এটি ফিরোজের দ্বিতীয় বিয়ে।

অভিযোগে জানা যায়, ফিরোজ প্রথম স্ত্রী পারভিন আক্তারকে রেখে একই উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলীর মেয়ে শিরিন আক্তারকে চলতি বছরের ৪ মে দশ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন।

কিন্তু পরে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশের মাধ্যমে শিরিনকে আটক করান। একপর্যায়ে ফিরোজের সঙ্গে বিয়ের সব প্রমাণপত্র পুলিশের কাছে দেওয়া হলে পুলিশ শিরিনকে পরিবারের জিম্মায় দেয়। 

ডিমলা থানার ওসি (তদন্ত) মফিজ উদ্দিন শেখ বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে শিরিনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফিরোজ তার স্বামী। তারা বিয়ে করে ভাড়া বাড়িতে একই সঙ্গে থাকতেন। কিন্তু গত ২দিন তাকে ফোনে না পেয়ে তার অফিসে চলে আসে মেয়েটি। মেয়েটির কাছে তাদের বিয়ের কাবিননামা পাওয়া গেছে।’

শিরিনের বাবা শাহাজান আলী বলেন, ‘আমার মেয়ে পরিস্কার বলেছে ফিরোজ তার স্বামী ও সে তার সংসার করবে। আমার মেয়েকে ওরা পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়ে হেনেস্তা করেছে। তারা যদি বিষয়টি সমাধান না করে তাহলে আমার মেয়ে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে।’

এ ব্যাপারে, ফিরোজের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। এছাড়া ফিরোজের বাবা ও ডিমলা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সরকার এ বিষয়ে কোনও কথা বলতে রাজি হননি।

তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক এবং বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, ‘বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা পারিবারিক ঘটনা।’

এমএনজে