নানা রকম রাজনৈতিক অচলায়তনের মধ্যেও বিগত দুই দশকেরও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
এই অগ্রগতির মূলে রয়েছে তিনটি উপাদান। এগুলি হচ্ছে গার্মেন্টস শিল্পে নিয়োজিত বিপুল মহিলা জনশক্তি, বিদেশে কর্মরত বিশাল দক্ষ-অদক্ষ কর্মী বাহিনী এবং বাংলাদেশের কৃষক।’
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের উড্রো উইলসন সেন্টারে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এমন অভিমত ব্যক্ত করেন বক্তারা। ইলিনয়েস স্টেট ইনিভার্সিটির রাজনীতি এবং সরকার বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর আলী রিয়াজের লেখা ‘বাংলাদেশ: এ পলিটিক্যাল হিস্টরি সিন্স ইন্ডিপ্যান্ডেন্স’ (স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস) শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা থিঙ্কট্যাঙ্ক উড্রো উইলসন সেন্টার।
দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট মাইকেল কোগেলম্যানের সঞ্চালনায় বইটির উপর কথা বলেন সেন্টারের সিনিয়র পলিসি স্কলার এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম, যুক্তরাষ্ট্রের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি লিসা কার্টিজ, বব হ্যাথওয়ে, ডগ ম্যাকিং, আখতার জাভেদ, বাংলাদেশের সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী এবং ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক ফকির সেলিম।
উইলিয়াম বি মাইলাম বলেন, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন করার পর থেকে চর্চাটা কম বেশি অব্যাহত ছিলো। বর্তমান সরকার কর্তৃত্ববাদী আচরণের মধ্য দিয়ে বিরুদ্ধ মতকে দমন করে চলেছে। বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী পক্ষ বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
বইটির সারমর্ম বিশ্লেষণ করে প্রফেসর আলী রিয়াজ বলেন, সমতা, মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়-বিচার এই তিনটি মূলনীতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের অভুদ্যয় ঘটেছিলো। যা পরবর্তীতে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অথচ এই তিন স্তম্ভই বারবার হোঁচট খাচ্ছে। তিনি বলেন, উগ্রবাদীপন্থা বরাবরই বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হোক সেটা ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক উগ্রপন্থা। বিজ্ঞপ্তি।
এসএ





