প্রধানমন্ত্রী ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর হে মার্কেটে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে জীবনদানকারী শ্রমিকদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “শ্রমজীবী মানুষই একটি দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও অর্থনীতি গড়ে ওঠে।”

শহীদ জিয়ার অবদান ও বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার:

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তিনি বিশ্বাস করতেন শ্রমিকের দুটো হাত রাষ্ট্র ও সমাজের সমৃদ্ধির চাবিকাঠি। তাঁর উদ্যোগেই মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজারের দ্বার উন্মোচন হয়েছিল, যা আজ আমাদের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএনপি সরকার সবসময়ই শ্রম আইন সংস্কার, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠনের মাধ্যমে শ্রমিকদের পাশে থেকেছে।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বর্তমান সরকারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন:

প্রবাসী কার্ড: প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ।

মজুরি বৈষম্য দূর: নারী ও পুরুষের সমান মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা।

নিরাপদ কর্মপরিবেশ: আইএলও (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী নিরাপদ ও শ্রমবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

সুবিধা প্রদান: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিতকরণ।

এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’—এর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা গেলে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।