বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় বন্যার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় এক সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৬৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শনিবার দুপুরে সারিয়াকান্দি উপজেলার বাঁধের ৩০ মিটার ভেঙে গেছে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এটিএম বেনজির রহমান জানান, বন্যায় নয়টি ইউনিয়নের চার হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত ও সাড়ে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের ত্রাণ তহবিল থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম জানান, যমুনার পানি শুক্রবারের তুলনায় শনিবার এক সেন্টিমিটার কমেছে। ফলে জেলার সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় বন্যার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। বাঁধ রক্ষার জন্য সেখানে বালিভর্তি জিওটেক্স বস্তা ফেলা হচ্ছে।
তবে বালিভর্তি জিওটেক্স বস্তা ফেলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড শেষ পর্যন্ত বাঁধ রক্ষা করতে পারেনি। নতুন করে বাঁধের ৩০ মিটার ভেঙে গেছে। এর আগে নদীভাঙনে চন্দনবাইশা আদবাড়িয়া থেকে কামালপুরের রৌহাদহ পর্যন্ত ১২০০ মিটার অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের পাঁচটি স্থানে প্রায় ৩০০ মিটার ভেঙে যায়। বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে যমুনার পানি প্রবেশ ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম আরও জানান, উজানের দিকে নতুন করে ভারি বৃষ্টিপাত না হলে যমুনা নদীতে নতুন করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আর নতুন করে বন্যার পানি বৃদ্ধি না পেলে জেলার দুই উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি ধারাবাহিকভাবে উন্নতি হবে।
ঢাকা, ২৩ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





