খাগড়াছড়ি জেলা শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত খরস্রোতা চেঙ্গী নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতিবছরই ভিটেমাটি হারাচ্ছে শত শত পরিবার। আর নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়িয়েছে সামাজিক সংগঠন অরণ্য-তারুণ্য।

চেঙ্গীর ভাঙনের কবল থেকে বাঁচতে সরকারি সহায়তা পাওয়ার দাবিতে খাগড়াছড়ি শাপলা চত্ত্বরে মানববন্ধন করেছে অরণ্য-তারুণ্য। শনিবার সকালে অরণ্য-তারুণ্যের সভাপতি সাইফুদ্দিন মিঠুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান চঞ্চুমনি চাকমা। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি আবু দাউদ, অ্যাডভোকেট রতন কুমার দে, স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল হাশেম।

মানববন্ধন শেষে অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, খাগড়াছড়ি দ্বিতীয় চেঙ্গী সেতুটি অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। আর এ কারণেই পানির বাড়তি চাপ এলাকার উপর পড়ছে। প্রতিদিনই ভাঙছে নদীর দুই পাশ। এভাবে ভাঙন চলতে থাকলে পুরো এলাকার মানুষ তাদের ভিটেমাটি হারাবে। তাদেরকে রক্ষা করতে হলে নদীর দুই পাশে অবিলম্বে পাথর ফেলতে হবে।

খাগড়াছড়ি পৌর শহরের পার্শ্ববর্তী গোলাবাড়ী মৌজার গঞ্জপাড়া গ্রামটি প্রায় ৩০ বছর ধরে ভাঙছে। ইতিমধ্যে চেঙ্গী নদীর ভাঙনে এই গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি ও ফসলের জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দ্বিতীয় চেঙ্গী সেতু ও গঞ্জপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, ঈদগাহ, ক্যায়াং ও শ্বশ্মানঘাট।
বিলম্ব না করে গঞ্জপাড়াকে চেঙ্গী নদীর ভাঙন থেকে রক্ষায় পাথর ও ব্লক স্থাপনসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তারা সরকারের প্রতি দাবি জানান।

ঢাকা, ২৩ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই