তৃতীয় ধাপে দেশের ৯ পৌরসভায় উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ চলছে।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

আজ যেসব পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে সেগুলো হলো- নরসিংদীর ঘোড়াশাল ও রায়পুরা, লক্ষ্মীপুরের সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, নোয়াখালীর সদর ও সেনবাগ, ফেনীর ছাগলনাইয়া, কক্সবাজারের টেকনাফ ও খাগড়াছড়ির রামগড়।

নয় পৌরসভায় মেয়র পদে ২৭ জনসহ ৪১৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবের ৩৮টি দল ও বিজিবির ১২ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।

ভোটগ্রহণ উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এদিকে এ নির্বাচন নিয়েও প্রার্থীদের মধ্যে শংকা রয়েছে। বিষয়টি জানিয়ে ইসিতে চিঠি দিয়েছেন বেশ কয়েকজন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী।

এর মধ্যে রায়পুরায় ৫ জন মেয়র ও ৩৮ জন কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ পৌরসভায় ২নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন কাউন্সিলর।

ঘোড়াশালে ২ জন মেয়র ও ২১ কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে ৬ কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। লক্ষ্মীপুর সদরে ২ জন মেয়র ও ৬৭ জন কাউন্সিলর, কসবায় ২ জন মেয়র ও ৩৫ জন কাউন্সিলর, নোয়াখালীতে ৩ জন মেয়র ও ৪৮ জন কাউন্সিলর, সেনবাগে ৪ জন মেয়র ও ৪৬ জন কাউন্সিলর, ছাগলনাইয়ায় ৩ জন মেয়র ও ৪৬ জন কাউন্সিলর, টেকনাফে ২ জন মেয়র ও ৩১ জন কাউন্সিলর এবং রামগড় পৌরসভায় ৩ জন মেয়র ও ৫৪ জন কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, ভোটগ্রহণ উপলক্ষে নয় পৌরসভায় পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সদস্যদের কঠোর অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে। প্রতিটি পৌরসভায় এক প্লাটুন বিজিবি রয়েছে। তবে ঝুঁকি বিবেচনায় নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ঘোড়াশালে বিজিবি বাড়িয়ে ২ প্লাটুন করা হয়েছে।

এছাড়াও আচরণবিধি তদারকি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নির্বাহী এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরাও কাজ করছেন।

এমবি