আরেক দফায় স্বপ্নের পদ্মাসেতু বহুমুখী প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে হাজার কোটি টাকা। সাথে বেড়েছে প্রকল্পের মেয়াদ।

বুধবার ( ৩০ অক্টোবর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ সূত্র এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।

২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্র্রকল্পটি শেষ হওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে অরেক দফায় প্রকল্পের সময় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যয় বাড়ছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। সিডিভ্যাট ও পরামর্শক খাতেই মূলত এ ব্যয় বাড়ছে।

সেতু বিভাগ আরও জানায়, প্রকল্পের মেয়াদ ১ বছর ৬ মাস বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্পের চূড়ান্ত ডিপিপি পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবনা যাচাই-বাছাই করছে পরিকল্পনা কমিশনে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য দ্রুত সময়ে প্র্রকল্পটি একনেক সভায় পাঠানো হবে।

সময় বৃদ্ধির জন্য নানা ধরনের যৌক্তিকতা দেখিয়ে সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, প্রকল্পের সময় বৃদ্ধির অন্যতম কারণ মূল নদীর ৪০টি পিয়ারের মধ্যে ২২টি পেয়ার পুনঃনকশা করা হয়। প্রতিটি পিয়ারে একটি পাইল বৃদ্ধি করা হয়। এই কারণে আরও ৮টি পিয়ারের পাইল ড্রাইভিং কাজও স্থগিত ছিল। ফলে মোট ২২টি পাইল রিডিজাইন জরুরি হয়ে পড়ে। ইতোমধেই সবগুলো পিয়ারের পাইল রিডিজাইন সম্পন্ন করা হয়েছে।

অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ডিপিপি’র ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৬ শতাংশ। প্রকল্পের শুরু থেকে আগস্ট ২০১৯ পর্যন্ত ব্যয়ের পরিমাণ ১৯ হাজার ৯৪৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা। নতুন করে ব্যয়-সময় বৃদ্ধির ফলে তৃতীয়বারের মধ্যে সংশোধন করা হবে পদ্মাসেতুর প্রকল্পের কার্যক্রম।

এম বিল্লাহ