বেনাপোল কাস্টমস হাউসে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে খালাশকৃত ১২ টি চালানের বিপরীতে অর্ধ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ধরা পড়েছে।ব্যাংক এর কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে খালাশকৃত মোটা অংকের রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় কাস্টমস হাউসে তোলাপাড়া শুরু হযেছে।
কাস্টমস সুত্র জানায়, ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিলড টেড ভারত থেকে গত দু মাস আগে পর্যায় ক্রমে ১২ টি চালানের মাধ্যমে পিগমেন্ট কালার আমদানি করেন। আমদানি কারক যথারীতি পণ্য খালাশের জন্য ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বেনাপেলস্থ সিএন্ডএফ এজেন্ট যুথী এন্টারপ্রাইজকে সরবরাবহ করেন।
যুথী এন্টারপ্রাইজ পন্য চালানের ইনভয়েজ ও ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স জাল করে পর্যায়ক্রমে ১২ টি চালানের বিপরীতে ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাকি দিয়ে বন্দর থেকে পণ্য খালাশ করে নিয়ে যায়। গত সপ্তাহে কাস্টমস হাউজে সদ্য যোগদানকারী যুগ্ন কমিশনার -২ এহসানুল হক গোপন সুত্রে খবর পেয়ে শুল্কায়ন গ্রুপ -২ এ তদন্ত করে রাজস্ব ফাঁকির এই তথ্য উদঘাটন করেন। যুথী এন্টারপ্রাইজ এ ধরনের আরো জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নতুন করে তদন্ত র্শুর করেছে।
রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সংশ্লিস্ট সিন্ডএফ এজেন্ট কাস্টমস এর বিভিন্ন পর্যায়ে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দেনদরবার শুরু করেছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এখনও পর্যন্ত সিএন্ডএফ এজেন্টর বিন লক করেনি রহত্যজনকভাবে।
কাস্টমস এর যুগ্ন কমিশনার এহসানুল হক জানান, সিএন্ডএফ এজেন্ট’র লাইসেন্স বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নুতন করে আরো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন তদন্তে অরো বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ধরা পড়ার সম্ভাবনা রযেছে। তবে রহস্যজনক ভাবে এখনও পর্যন্ত লাইসেন্স বাতিল না হওয়ায় জনমনে নানা গুঞ্জন শুরু হযেছে।
নাছির/জারিফ





