হাঙ্গেরির রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে আগামী ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী বুদাপেস্ট সফর করছেন। পানি সম্মেলনে যোগ দেওয়া ছাড়াও হাঙ্গেরির রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায়ও বসবেন শেখ হাসিনা। ইউরোপের দেশটিতে বাংলাদেশের সরকার প্রধানের এটিই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানিয়েছেন।
জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে গঠিত পানি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্যানেলের সদস্য শেখ হাসিনা। এ প্যানেলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন হাঙ্গেরি, মরিশাস, মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, তাজিকিস্তান, পেরু ও সেনেগালের রাষ্ট্রপতি এবং অস্ট্রেলিয়া, জর্ডান ও নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা মরক্কোয় সদ্য সমাপ্ত জলবায়ু সম্মেলনে পানি ব্যবস্থাপনার উপর জোর দিয়ে বক্তব্য রাখেন। বুদাপেস্ট সম্মেলনের মূল লক্ষ্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সংক্রান্ত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের করণীয় নির্ধারণ এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত পানি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং একটি বাণিজ্য প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হবে।
মাহমুদ আলী বলেন, “ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর, বহুমাত্রিক ও সৌহার্দপূর্ণ। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার হাঙ্গেরির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নবায়ন, গভীরতর ও বিস্তৃত করতে আগ্রহী।” বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরির মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রসার এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য।
হাঙ্গেরির সঙ্গে বাণিজ্য এখন মাত্র সোয়া কোটি ডলার হলেও দেশটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে ঢাকা।
সফরে পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা, কৃষি ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং বাণিজ্য সম্পর্কোন্নয়নে হাঙ্গেরির সঙ্গে চারটি সমঝোতা স্মারক সই হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
জেড





