কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের মেধাবী ছাত্র আসলাম জেলিন (১৮) খুনের ঘটনায় মূল আসামীসহ দুই সহোদরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তাদের কাছ থেকে খুনের কাজে ব্যবহৃত একটি ধারালো চাকুও উদ্ধার করা হয়।
বুধবার সকাল ১১টায় কুষ্টিয়া র্যাাব ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১২ এর কমান্ডার আলী হায়দার জানান, খুনের ৯ঘন্টা পর মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার সময় ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট বাসস্ট্যান্ড থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মূল আসামী নিহতের বন্ধু তুষার আহমেদ (১৮) কুষ্টিয়া শহরের আমলাপাড়ার ফরিদ করিমের ছেলে।
খুনের সময় তুষার আহমেদকে পালাতে সহযোগিতা করা তার বড় ভাই নিশান আহমেদকেও (২০) গ্রেফতার করে র্যাড়ব।
গ্রেফতারের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে নিহতের বন্ধু তুষার আহমেদ। তার দেয়া তথ্য মতে হত্যায় ব্যবহৃত একটি ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, নিহত কলেজ ছাত্র আসলামের বন্ধুরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য তাকে নিয়ে একটি দল গঠন করে। এই দল থেকে আসলাম বেরিয়ে আসতে চান।
পরে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় কুষ্টিয়া শহরের বাবরআলী গেট এলাকায় সোনালী ব্যাংকের সামনে তুহিন কনফেকশনারীর পেছনে দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে আসলামের পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তার বন্ধু তুষার আহমেদ।
পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার আসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





