ভারতে সাত মাস কারাভোগের পর সীমান্ত পথে বাংলাদেশের বেনাপোল পোর্ট থানার সাদিপুর গ্রামে ফিরেই ছিনতাইকারীদের কবলে পড়া ১৩ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার ভোর ৪টার দিকে তাদের উদ্ধার কর হয়। এসময় ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ডালিম (৩০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়।
আটক ডালিম ওই গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে।
উদ্ধারকৃতরা হলেন-খুলনা জেলার বটিয়াঘাটার শিমুল দাস (১৮), বয়রা এলাকার মলিনি মণ্ডল (২৫), সুরেশ সরকার (২৮), দিঘলিয়া এলাকার রওশন সিকদার (২৭), পাইকগাছার উদ্ধাব কুমার মণ্ডল (২০), কমলেশ রায় (৪০), সৌরভ বালি (২৫), বিশ্বজিৎ মণ্ডল (২৯), রতিন্দ্রনাথ সরকার (৩২), সাতক্ষীরার নূরনাহার (৩২), রোকিয়া (১৩), আবু তালেব (৪৫) ও তার স্ত্রী রিজিয়া বেগম (২৮)।
পুলিশ ও উদ্ধার হওয়া নারী-পুরুষ জানান, সংসারে অভাব অনটনের কারণে ভালো কাজের আশায় আট মাস আগে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে যান তারা। ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে পুলিশ ওই সময় তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। আদালত তাদের সবাইকে সাত মাস করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়ে কলকাতার দমদম সেন্ট্রাল জেলে পাঠান।
মঙ্গলবার সাজার মেয়াদ শেষ হলে দমদম সেন্ট্রাল জেল পুলিশ তাদের ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে এনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে হস্তান্তর করে। এসময় তারকাঁটা খুলে তাদের সাদিপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় বিএসএফ সদস্যরা। তারা সাদিপুরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে পাঁচ/সাতজন যুবক তাদের ধরে নিয়ে গিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখে। এসময় তারা ওই ১৩ জনকে মারধর করে তাদের কাছে থাকা টাকা ও মালপত্র ছিনিয়ে নেয়।
টের পেয়ে আশপাশের লোকজন থানায় খবর দিলে ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় আটক করা হয় ডালিম নামে এক যুবককে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) অপূর্ব হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কেএইচ





