হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মরদেহ চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় এসে পৌঁছেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৯টায় মরদেহ সেখানে নেওয়া হয়। মাদ্রাসার শূরা কমিটির সদস্য আল্লামা নোমান ফয়জী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘সকাল পৌনে ৯টার দিকে উনার (আহমদ শফী) মরদেহ হাটহাজারী মাদ্রাসায় নিয়ে আসা হয়েছে। কবর খোড়ার প্রস্তুতিও শেষ। বাদ জোহর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মাদ্রাসার কবরস্থানে লাশ দাফন করা হবে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত মাদ্রাসার মজলিসে শূরার বৈঠকে শাহ আহমদ শফী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই দিন রাত ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্সে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে ঢাকার আসগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
এদিকে, হেফাজত আমীরের জানাজায় উপস্থিত হতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাবেক ছাত্ররা মাদ্রাসায় আসতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে মাদ্রাসা মাঠ লোকে ভরে গেছে।
অন্যদিকে, তার জানাজায় যেন অনাকাঙ্ক্ষিত কোনও ঘটনা না ঘটে এ জন্য হাটহাজারীতে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (রুটিন দায়িত্ব) ইয়াসমিন পারভীন তিবরীজি লিখিত এক আদেশে ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল আলম জানিয়েছেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে।
ইতোমধ্যে হাটহাজারীতে ৪ প্লাটুন, পটিয়ায় ২ প্লাটুন, রাঙ্গুনিয়ায় ২ প্লাটুন এবং ফটিকছড়িতে ২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়ন করা হয়েছে।
এএস





